একসময় যে চরাঞ্চলে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের কোনো আলো পৌঁছাত না, সেখানে আজ সৌরবিদ্যুতের প্যানেল আর ইন্টারনেট সংযোগ এনে দিয়েছে নতুন জীবনের বার্তা। নদীর পানিতে বাঁশের মাচা তৈরি করে ভাসমান বেডে শাকসবজি চাষ করে চরের নারীরা অর্থনৈতিক মুক্তির দিশা খুঁজে পেয়েছেন।
আমাদের সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা যায়, সৌরচালিত পাম্প দিয়ে চরের বালুমাটিতে মিষ্টি কুমড়া, তরমুজ ও চিনা বাদামের বাম্পার ফলন হচ্ছে। এসব পণ্য ট্রলারে করে সরাসরি রাজধানী ও বিভাগীয় শহরের আড়তে যাচ্ছে।
স্থানীয় এক নারী উদ্যোক্তা জানান, আগে বন্যায় সব ভেসে গেলে অনাহারে দিন কাটাতে হতো। কিন্তু ভাসমান চাষ পদ্ধতির কারণে এখন বর্ষাকালেও সবজি উৎপাদন বন্ধ থাকে না। শিশুরা স্কুলে যাচ্ছে এবং ডিজিটাল মাধ্যমে ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছে।
সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর এই নীরব স্বাবলম্বী হওয়ার বিপ্লব জাতীয় দারিদ্র্য বিমোচনে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হতে পারে।